কুরবানির কিছু জরুরি মাসআলা


 মাসআলা-১:

শহরে কুরবানি করার বিধান হলো, ঈদের নামাযের পরেই তা করতে হবে নামাযের পূর্বে হবে না। আর গ্রামে কুরবানির জন্য এই শর্ত নেই। গ্রামে সুবহে সাদিকের পর থেকেই কুরবানি হয়। কেননা গ্রামে ঈদের নামায নেই।


উল্লেখ্য যে, বর্তমান আমাদের বাংলাদেশের গ্রামগুলোর অধিকাংশই শহরের হুকুমের আওতাভূক্ত।



 মাসআলা-২:



নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে কুরবানি হবে না। যদি কেউ করে ফেলে কুরবানি হয় নি, আবার কুরবানি করবে। আর সময়ের পরে কুরবানি করলেও কুরবানি হবে না। তবে তখন কুরবানির পশুর মূল্যের সমান সদকা করবে।



 মাসআলা-৩:



কুরবানির সময় কুরবানি করাই আবশ্যক, অন্যকিছু এর স্থলাভিষিক্ত হবে না। যেমন, কুরবানির পরিবর্তে লাখ টাকা সদকা করে দেয়া প্রভৃতি।



 মাসআলা-৪:



শর্তগুলো নির্দিষ্ট সময়ের পূর্ণ অংশেই পাওয়া জরুরি নয় বরং কুরবানির জন্য যে সময় নির্দিষ্ট করা হয়েছে ঐ সময়ের যে কোন অংশে শর্তগুলো পাওয়া যাওয়াই কুরবানি ওয়াজিব হওয়ার জন্য যথেষ্ট। যেমন, কোন ব্যক্তি কুরবানির নির্দিষ্ট সময়ের প্রথম দিকে দরিদ্র ছিল এবং কুরবানির দিনসমূহের পরবর্তি যে কোন সময়ে ধনী হয়ে গেল, অনুরূপ মুসাফির মুকিম হয়ে গেল, অমুসলিম মুসলিম হয়ে গেল, কিংবা নাবালিগ বালিগ হয়ে গেল, তবে তার উপর কুরবানি ওয়াজিব হয়ে যাবে।

_________________

কুরবানি (ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও আহকাম)

গ্রন্থনা ও সংকলন:

মুফতি মুহাম্মদ আলমগীর হোসাইন আন-নাজিরী

অধ্যক্ষ, জামি‘আ-এ-‘ইলমে মদীনা, নেত্রকোণা

 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন