পৃ:- ১৮
---------
আবেদন
*******
বাংলাদেশের যে কোন স্থান হইতে যে কোন পথে কদমরছুলে যাওয়া সম্ভব। যদি ঢাকা থেকে যেতে চান তাহা হইলে নারায়ণগঞ্জ বাস ষ্ট্যান্ডে নেমে বা ট্রেনে
নারায়ণগঞ্জ বা চাষাড়া ষ্টেশন থেকে রিকসা দিয়ে যাবেন নবীগঞ্জ খেয়াঘাট ।
শীতলক্ষা নদী পার হয়ে তিন মিনিটের পথ । নদীপথে যে কোন স্থান থেকে যে কোনভাবে যাওয়া সম্ভব । রাস্তাঘাট মােটামুটি সুন্দর । বাজার আছে, দোকান আছে, সস্তায় খেয়ে নিতে পারবেন। দরগাহ শরীফেও অনেক দিন নেওয়াজ দান করা হয় ।
গরীব ভােজও হয় । মাটি থেকে প্রায় চল্লিশ ফুট উঁচুতে উঠবেন ত্রিশটি সিঁড়ি বেয়ে; দেখবেন ৬০ ফুট উঁচু এবং ৬০ফুট প্রস্থ ইরাণী স্থাপত্যের নিদর্শন ও মােগলদের
তৈরী দরগাহ শরীফ । জোৎস্না রাতে তাজমহলের কথা মনে করিয়ে দেবে। রবিউল চাঁদের প্রথম তারিখ হতেই দেখবেন দরগাহ শরীফে আলােকসজ্জা।
কালাে পাথরে খচিত পবিত্র পদচিহ্ন দর্শন করে অর্জন করবেন অশেষ ছওয়াব; তদপুরি বিভিন্ন কালাে পাথরে খচিত পবিত্র কুরআনের বাণী ও অন্যান্য বাণীর
সমাবেশ দেখে অভিভূত হবেন। বিভিন্ন সাধক ও মহাপুরুষদের পবিত্র মাজার জেয়ারত করতে পারবেন। খাদেমগণ দরগাহ শরীফ রক্ষণাবেক্ষণ করছেন শত শত বৎসর ধরে সুন্দরভাবে, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ একটি স্থাপত্য দেখে পাবেন আপনার অন্তরে শান্তি, পাবেন অনুপ্রেরণা, স্মৃতিতে থাকিবে সুখকর আনন্দ অনেক দিন ।
বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত “তাওয়ারিখে ঢাকা"-এর লেখক জনাব মুনশী রহমান আলী তায়েশ। কদমরছুল সম্পর্কে লেখকের গবেষণার অংশ “তথ্য অনেকটা কাহিনীভিত্তিক হইলেও অত্যন্ত মূল্যবান।”
কদমরছুল দরগাহ নারায়ণগঞ্জের বিপরীত দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাড়ে অবস্থিত।
(চলবে)
---------
আবেদন
*******
বাংলাদেশের যে কোন স্থান হইতে যে কোন পথে কদমরছুলে যাওয়া সম্ভব। যদি ঢাকা থেকে যেতে চান তাহা হইলে নারায়ণগঞ্জ বাস ষ্ট্যান্ডে নেমে বা ট্রেনে
নারায়ণগঞ্জ বা চাষাড়া ষ্টেশন থেকে রিকসা দিয়ে যাবেন নবীগঞ্জ খেয়াঘাট ।
শীতলক্ষা নদী পার হয়ে তিন মিনিটের পথ । নদীপথে যে কোন স্থান থেকে যে কোনভাবে যাওয়া সম্ভব । রাস্তাঘাট মােটামুটি সুন্দর । বাজার আছে, দোকান আছে, সস্তায় খেয়ে নিতে পারবেন। দরগাহ শরীফেও অনেক দিন নেওয়াজ দান করা হয় ।
গরীব ভােজও হয় । মাটি থেকে প্রায় চল্লিশ ফুট উঁচুতে উঠবেন ত্রিশটি সিঁড়ি বেয়ে; দেখবেন ৬০ ফুট উঁচু এবং ৬০ফুট প্রস্থ ইরাণী স্থাপত্যের নিদর্শন ও মােগলদের
তৈরী দরগাহ শরীফ । জোৎস্না রাতে তাজমহলের কথা মনে করিয়ে দেবে। রবিউল চাঁদের প্রথম তারিখ হতেই দেখবেন দরগাহ শরীফে আলােকসজ্জা।
কালাে পাথরে খচিত পবিত্র পদচিহ্ন দর্শন করে অর্জন করবেন অশেষ ছওয়াব; তদপুরি বিভিন্ন কালাে পাথরে খচিত পবিত্র কুরআনের বাণী ও অন্যান্য বাণীর
সমাবেশ দেখে অভিভূত হবেন। বিভিন্ন সাধক ও মহাপুরুষদের পবিত্র মাজার জেয়ারত করতে পারবেন। খাদেমগণ দরগাহ শরীফ রক্ষণাবেক্ষণ করছেন শত শত বৎসর ধরে সুন্দরভাবে, পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। বাংলাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ একটি স্থাপত্য দেখে পাবেন আপনার অন্তরে শান্তি, পাবেন অনুপ্রেরণা, স্মৃতিতে থাকিবে সুখকর আনন্দ অনেক দিন ।
বাংলাদেশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত “তাওয়ারিখে ঢাকা"-এর লেখক জনাব মুনশী রহমান আলী তায়েশ। কদমরছুল সম্পর্কে লেখকের গবেষণার অংশ “তথ্য অনেকটা কাহিনীভিত্তিক হইলেও অত্যন্ত মূল্যবান।”
কদমরছুল দরগাহ নারায়ণগঞ্জের বিপরীত দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর পূর্ব পাড়ে অবস্থিত।
(চলবে)
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন