হায়াতুল আম্বিয়া


◾ হাদীস নং-৬ :

رقم الحديث : 6

(حديث مرفوع ) مَا أَحَبَرَ أبُو الحسين علي بن مُحمَدُرِ بْن عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سُرَانَ بغداد , أباً ماعيل بن مُحمَتَ الصقار , ثنا مُحمد بن عَبْدِ الْمَلِكِ الدّقيقيّ , ثنا يزيد بن هارون , ثنا اليمان عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : لالة أسري به مرّ على مُوسى عليه السلام وَهُوَ يُصلّي في قبره " .

হযরত সুলাইমান আত্ তাইমী (رضي الله عنه) সাহাবী হযরত আনাস ইবনে মালেক (رضي الله عنه) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমাকে নবী করীম(ﷺ) এর কয়েকজন সম্মানিত সাহাবী সংবাদ দিয়েছেন যে, “যে রাতে নবী করীম(ﷺ) কে মি’রাজ করানো হল সে রাতে তিনি হযরত মূসা আলায়হিস্ সালাম-এর পাশ দিয়ে গমন করার সময় দেখতে পেলেন তিনি (আলায়হিস্ সালাম) নিজ কবর শরীফে নামায পড়ছেন।”


(٦)وفي رواية صحيح مسلم بلفظ: عن أنس بن مالك : أن رسول ﷲصلى ﷲ علیھ وآلھ وسلم قال : أتيت وفي روایةھدابمررت على موسى ليلة أسري بي عند الكثيب الأحمر وھو قائمیصلي في قبره. (صحیح مسلم - الفضائل- من فضائل موسى - رقم الحديث( ৪৩৭৯ ) : . وفي رواية عن أنس بن مالك : أن رسول ﷲصلى ﷲ علیھ وآلھ وسلم قال :أتيت على موسى ليلة أسري بي عند الكثيب الأحمروھو قائم يصلي في قبره. (مسند أحمد - باقي مسند.... -مسند أنس - ....رقم الحديث( ১২০৪৬ ) :وفي رواية عن أنس بن مالك : أن رسول ﷲصلى ﷲ علیھ وآلھ وسلم قال :أتيت ليلة أسري بي على موسى عند الكثير بالأحمر وھو قائم يصلي في قبره. (سنن النسائي - قيام الليل.. -ذكر صلاة نبي - ...رقم الحدیث( ১৬১৩ )


◾ হাদীস নং-৭ :



رقم الحديث : ۷


حديث مرفوع ( وأخْبَرَنَأَبو الحسين علي بن بشران , أنبأ إيمَاعيل , ألبيط مد بن منصور بُنِ سَيّار الرّمَادِي ثنا يَزيدُ بن أبي حكيم ثئفيان يعني الثوري ، ثنلليمان التيمي , عيّ " أنس بن مالك رضي الله عنه قال : قال رسول اللهِ صلى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " مررت على مُوسى وَهُوَ قَلِمْ يُصلّي في قدِردِ (٧). "



(المرجع السابق)




হযরত আনাস ইবনে মালেক (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ(ﷺ) এরশাদ করেন, আমি হযরত মূসা আলায়হিস্ সালাম-এর পাশ দিয়ে গমন করেছি, আর তিনি নিজ কবরে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছেন।

◾ হাদীস নং-৮ :



 رقم الحديث : ۸


(حديث مرفوع ) أَخَبَرَنَا أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْحَافظ , ثنا أَبُو الْعَبّاس مُحمد بن يَعْقُوب , ثنا مُحَمّيْن عبيد الله بن الْمُنَادِي , ثنا يُونس بن مُحمَدَ المُؤدب , تاحمَد بْن سَلَمَةَ , ثنلياً ليمان التَيْمِيّ , وَتَابِتُ البُنَانِيّ عن أنس بن مالك رضي اللَّهُ عَنْهُ ، أن رسول الله صلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : " أَتَيْتَ عَلَى مُوسَى ليلة أسري بي عند الكثيب الأحمر وهو قائم يصلي في قبري " أخرجه أبو الحُسين مُسلم بن الحجاج النيسابوري رحمه الله ،من حديث حَمّاد بن سَلَمَهُ عَنْهُمَوأخرجه من حديّ الثوري وعيسى بْنِ يُونُس وجرير بن عَبْدِ الْحَمِيدِ عنَ التيمي .



হযরত সাবিত আল বুনানী (رضي الله عنه) হযরত আনাস ইবনে মালেক (رضي الله عنه) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরশাদ করেন, মি’রাজ রজনীতে আমি একটি লাল বালির টিলার নিকট আসলাম, যেখানে হযরত মূসা আলায়হিস্ সালাম এর কবর শরীফ অবস্থিত, আর দেখলাম- হযরত মুসা আলায়হিস্ সালাম তাঁর নিজ কবর শরীফে দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছেন।



◾ হাদীস নং-৯ :



رقم الحديث : ۹ حديث مرفوع



 ( أَحَبَرَنَأحمد بن أبي علي القرشي أنبأ حاجب بن أدم تنط حمد بن يدى ثمد بن خالد ال بي ثنا عبد العزيز بن أبي سَلَمَهُ عن عبد الله بن الفضل الهَاشِمِيّ عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن أبي هريرة رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " لقد رأيتني في الحجر وأنا أخبر قريشاً عن مسراي فسألوني عن أشياء من بَيْتِ المقدّس لم أثبتها ، فكربت كربا ما كرّبت مثله قط . وَرَفَعَهُ اللَّهُ عَرَ وجل ليّ أنظر إليه ، ما يُسألوني عن شيء إلا أنبَأَنَّهُمْ به , وَقَدْ رأيتُنِي فِي جَمَاعَةٍ مِنَ الأنبياء , فَإِذَا مُوسَى فَايْمُ يُصلّى ، فإذا رجل ضرب جهد كأنه من رجل شنوءة ، وإذا عيسى بن مرَ يَمُ قائم يُتُلي أقرب الناس به شبها عُروة بن مسعود الثقفي وإذا إبراهيم قائم يصلي أشبه الناس به صاحبُكم ، يكُني لَفَسَنَةً ، فَحَانَتِ الصلاة ، فأمَمَتُهُمْ ، فَلَمَّا فَرَعْتُ مِنَ الصلاة ، قال لِى قَالَ : يَا مُحمَدُ هذاً مالي " صاحب النّار فَسَلَهُ عَلَيْهِ ، فَالْتَفَتُ له فَبَدَأَنِي بالسلام " (9)



হযরত আবূ হোরায়রা (رضي الله عنه) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এরশাদ করেন, ইসরা ও মি’রাজ শেষে ফিরে এসে ক্বোরাইশদের নিকট এ ঘটনা বর্ণনার এক পর্যায়ে রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু তা‘আলা আলায়হি ওয়াসাল্লাম বলেন, আমি আমাকে ‘হিজর’ (কা’বার অদূরে) নামক স্থানে দেখতে পেলাম যখন আমি ক্বোরাইশদের নিকট আমার ইসরা ও মি’রাজের ঘটনা বর্ণনা করছিলাম। তখন তারা আমাকে বায়তুল মুক্বাদ্দাস বিষয়ক এমন কিছু প্রশ্ন করলো যে সম্পর্কে আমি অবগত ছিলাম না। তাই আমি চিন্তিত হয়ে গেলাম। অত:পর আল্লাহ তা‘আলা বাইতুল মুক্বাদ্দাসকে আমার জন্য উন্মোচিত করে দিলেন, যাতে আমি তা দেখতে পাই। সুতরাং তারা বায়তুল মুক্বাদ্দাস নিয়ে যে কোন প্রশ্ন করল আমি তার যথাযথ উত্তর দিলাম।


এ রজনীতে আমি আমাকে নবীগণ আলায়হিস্ সালাম-এর একটি সমাবেশে দেখতে পেলাম। আবার দেখতে পেলাম যে, হযরত মূসা আলায়হিস্ সালাম দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছেন। তিনি কোঁকড়ানো চুলধারী উপমাযোগ্য সুদর্শন পুরুষ, যাঁকে দেখতে শানুয়া গোত্রের লোকদের মত মনে হয়।


ওদিকে হযরত ঈসা ইবনে মারইয়াম আলায়হিস্ সালামও দাঁড়িয়ে নামায পড়ছেন, যিনি আকৃতির দিক থেকে ওরওয়া ইবনে মাস‘ঊদ আস সাক্বাফীর সদৃশ।



أوجه مُسلم في الصحيح من حدي عبد العزيز وفي حديّتِ سعيد بن المُسيّب وغيره أَنَّهُ لَقِيهُمْ في م جدِ بيْتِ المَقدِس ( صحيح مسلم برقم ( ۱۷۲ . ( و صحيح البخاري برقم ( ۳۳۹4 ) وصحيح مسلم برقم ( ۱۹۸ ) .



আবার দেখতে পেলাম, হযরত ইব্রাহীম আলায়হিস্ সালামকে, তিনিও দাঁড়িয়ে নামায আদায় করছেন, যিনি দেখতে তোমাদের সাথে যিনি আছেন [অর্থাৎ রাসূলুল্লাহ (ﷺ)] তাঁর সদৃশ। অত:পর নামাযের সময় হলো, আমি তাঁদের ইমামতি করলাম। আমি যখন নামায থেকে অবসর হলাম তখন আমাকে কেউ বলল, হে হযরত মুহাম্মদ মোস্তফা! উনি হলেন ‘মালেক’, জাহান্নামের দায়িত্বে নিয়োজিত ফেরেশতা। তাঁর সাথে সালাম আদান-প্রদান করুন। আমি যখন তার দিকে ফিরলাম তখন তিনি আমাকে প্রথমে সালাম দিলেন। 




এ হাদীস ইমাম মুসলিম তাঁর ‘সহীহ মুসলিম’-এ আবদুল আযীয থেকে বর্ণনা করেন,



وفي حديث أبي ذر وَمَالك يُن ص صعة في قصة المعراج أَنَّهُ الْقِيَهُمْ فِي جَمَاعَةٍ من الأنبياء في السموات ، وَحَلَمَهُمْ وَكَلَمُوهُ ، وكل ذلك صحيح لا يُخالف بعضه بعضا , فَقَدْ يَرَى مُوسَى عليه السلام قائما يُصلي في قردِ ثم يُسرى بمُوستي وَغَيْرِهِ إلى بيت المقدّسَ كما أسري بنبيّناً صلى اللهُ عليْهِ وَسَلَّمَ فَيَرَاهُمْ فيه ، ثم يُعرج بهم إلى السمَوَاتِ كما عرج بنبيّنا صلَّى اللَّهُ عليه وسلم فير آهم فيها كما أخبر ، وحَلَولهم في أوقات بمواضع مُختلفات جائز في العقل ، كمَا ورَدَ به خبر الصّادِق وفي كل ذلَ حَلالَهُ عَلَى حَيَاتِهِمْ , وَمِمَّا يَتَ عَلَى ذَلِك .



হযরত সা‘ঈদ ইবনে মুসাইয়্যাব ও অন্যান্যদের বর্ণনা মতে- রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অন্যান্য নবীগণ আলায়হিস্ সালাম-এর সাথে বায়তুল মুক্বাদ্দাস-এর মসজিদে মিলিত হন। আর হযরত আবূ যার (رضي الله عنه) ও মালেক ইবনে সা’সা‘আহ্ (رضي الله عنه) বর্ণিত মি’রাজ সংক্রান্ত হাদীস শরীফে উলে­খ রয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অন্যান্য নবীগণের সাথে আসমানগুলোতে সাক্ষাত করেন এবং তিনি (ﷺ) তাঁদের সাথে কথা বলেন তাঁরাও তাঁর সাথে কথাবার্তা বলেন।



উপরোলে­খিত সব হাদীসই সহীহ ও বিশুদ্ধ।



এগুলোর পরস্পরের মধ্যে কোন বিরোধ নেই। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) হযরত মূসা আলায়হিস্ সালামকে এদিকে নিজ কবর শরীফে দাঁড়িয়ে নামায পড়তে দেখেছেন, আবার আসমান ও বাইতুল মুক্বাদ্দাসেও। অর্থাৎ তিনি নিজ কবর শরীফে নামাজ আদায় করার পর তাঁকে অন্যান্য নবীগণের সাথে বায়তুল মুক্বাদ্দাস-এ পরিভ্রমণ করানো হয় যেভাবে আমাদের প্রিয় নবীকে রাতের সামান্য সময়ের মধ্যে বায়তুল মুক্বাদ্দাস শরীফে উপস্থিত করা হয়। তাই তিনি তাঁদেরকে সেখানে দেখতে পান। অত:পর তাঁদেরকে আসমানের দিকে ঊর্ধ্বগমন করানো হয় যেভাবে আমাদের প্রিয়নবীকে মি’রাজ বা ঊর্ধ্বগমন করানো হয়েছে। তাই তিনি তাঁদেরকে সেখানেও



দেখতে পান, যা বিশুদ্ধ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং তাঁদের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন স্থানে উপস্থিত হওয়াটা যুক্তি ও বিবেকের দিক থেকে স্বাভাবিক, কোন অবস্থাতে অসম্ভব নয়; যার সমর্থনে সর্বাধিক সত্যবাদী নবীর অনেক হাদীস বর্ণিত হয়েছে।উপরোক্ত সকল হাদীস ইন্তিক্বালের পর নবীগণ আলায়হিস্ সালাম-এর সশরীরে জীবিত থাকার অকাট্য প্রমাণবহ। এ বক্তব্যের সমর্থনে নিম্নের হাদীস শরীফও প্রমাণ স্বরূপ পেশ করা যায়-



◾ হাদীস নং-১০:



 رقم الحديث : ۱۰


مَا أَحَبَرَتَمُحمَدُ بْن عَبْدِ اللَّهِ الْحَافِظ رَحِمَهُ اللَّهُ تَعَالَى ثنا أَبُو الْعَبّاس محمد بن يَعْقُوبَ ، أبو جعفر أدمدُ بْن عَبْدِ الْحَمِيدِ الْحَارِثي ثنا الحسين بن علي الجَعَ فِي , تقباد الرحمن بُن يزيد بن جابر عن أبي الأشعث الصنّعاني أوس بن أوس الثقفي قال : قال لي رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أفضل أيامكم يوْم الْجُمُعَة : فيه حَلِقُ


آدَمُ وَوَفِيه قُبض , وَفِيه النَّفَحَةً , وفيه الصنَعَقَةً , فأكثروا عَلَيَّ مِنَ الصلاة فيه فإن صلاتكم معروضةً عَلَى " ، قَالُوا وكيف تعرض لاتناً عليْك وَقد أرمت ؟ يَقُولُونَ بَلِيتَ ، فَقَالَ : " إِنَّ اللهَ قَد حَرّمَ على الأرض أن تأكل أجساد الأنبياء عليْهِمُ السّلام " ، أخَرَجَهُ أَبُو دلو السجستانِي فِي كِتَاب السُنَن . ( 10 )



হযরত আওস ইবনে আওস আস-সাক্বাফী (رضي الله عنه)বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাকে বলেছেন, তোমাদের দিনগুলোর মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন, এ দিনে হযরত আদম আলায়হিস্ সালামকে সৃষ্টি করা হয়েছে। এ দিনে তাঁর ইন্তিক্বাল হয়েছে, এ দিনেই (ক্বিয়ামতের) সিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে এবং এ দিনেই সকলে সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়বে। তাই তোমরা এ দিনে আমার প্রতি অধিকহারে দুরূদ-সালাম পাঠ কর। কেননা তোমাদের সালাত-সালাম আমার নিকট পেশ করা হয়। তাঁরা বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ! কিভাবে আপনার প্রতি আমাদের সালাত-সালাম পেশ করা হবে, অথচ আপনি ইন্তিক্বাল করবেন এবং আপনার দেহ মুবারক ক্ষয়প্রাপ্ত ও জীর্ণ হয়ে যাবে? তখন উত্তরে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এরশাদ করলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা‘আলা নবীগণ আলায়হিস্ সালাম-এর দেহ মোবারক গ্রাস করা (ভক্ষণ করা) জমিনের জন্য হারাম বা নিষেধ করে দিয়েছেন।



এ হাদীস ইমাম আবূ দাঊদ তাঁর সুনানে উদ্ধৃত করেছেন। 



10 - أخرجه أحمد ۸ / 4 ( ۱۹۲۹۲ . والدارمي ( ۱۵۷۲ ) و \ " أبو داود \ " ۱۰۶۷ و \ " ابن ماجة " ۱۰۸۵ وأخرجه ابن ماجة ( ۱۹۳۷ مرقاة المفاتيح شرح مشكاة المصابيح « كتاب الصلاة « باب الجمعة . 1361 وقال : رواه أبو داود ، والنسائي ، وابن ماجه ، والدارمي ، حياة الأنبياء في قبورهم للبيهقي , رقم الحديث - ۱۰ والبيهقي في " الدعوات الكبير . "



মানুষ মারা গেলে তার দেহ্ ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে মাটির সাথে মিশে জীর্ণ শীর্ণ হয়ে যাবে এটাই স্বাভাবিক। তাই সাহাবায়ে কেরামের এ প্রশ্ন। কারণ নবীগণের ইন্তিকালের পর তাঁদের স্বশরীরে জীবিত থাকার — বিষয়ে কোন তথ্য তাঁদের কাছে তখনও ছিল না। আর আল্লাহ ও রাসূল কর্তৃক প্রদত্ত হুকুম ও দিকনির্দেশনাই হলো শরীয়ত। তাই সাহাবায়ে কেরামের এ বক্তব্য শরীয়ত বিরোধী নয়, কারণ তখনো এ বিষয়ে কোন বর্ণনা আসেনি। ] 

_________________

কিতাবঃ হায়াতুল আম্বিয়া 

[নবীগণ আলায়হিমুস্ সালাম জীবিত তাঁদের রওযাসমূহে]

মূল : ইমাম আবূ বকর আহমদ খোরাসানী বায়হাক্বী ইবনে হোসাঈন ইবনে আলী ইবনে মূসা [রাহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হি]

বঙ্গানুবাদ : অধ্যাপক মাওলানা সৈয়দ মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন আল-আযহারী

সূত্রঃ 🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।

https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan


Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন