মদীনার দু:খ-কষ্টে ধৈর্য্যধারণের ফযিলত
১১. وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِىَ اللهُ عَنْهُ أَنَّ رَسُولَ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَصْبِرُ عَلَى لَأْوَاءِ الْمَدِينَةِ وَشِدَّتِهَا أَحَدٌ مِنْ أُمَّتِي إِلَّا كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ
১১. অনুবাদ: হযরত আবু হোরায়রা (رضي الله عنه)থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এরশাদ করেন, আমার উম্মতের কোন ব্যক্তি মদীনার অভাব অনটন ও দু:খ কষ্টে ধৈর্যধারণ করবে, নিশ্চয় আমি কিয়ামতের দিন তার জন্য সুপারিশকারী হব।
➥[২৪] মুসলিম, সূত্র: মিশকাত শরীফ, পৃ. ২৩৯, হাদিস নং ২৬০০
ব্যাখ্যা: মুসলিম শরীফে হযরত সা’দ ইবনে আবু ওয়াক্কাস (رضي الله عنه)থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসূলুল্লাহ (ﷺ)এরশাদ করেন- لَا يَدَعُهَا أَحَدٌ رَغْبَةً عَنْهَا إِلَّا أَبْدَلَ اللهُ فِيهَا مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنْهُ وَلَا يَثْبُتُ أَحَدٌ عَلَى لَأْوَائِهَا وَجَهْدِهَا إِلَّا كُنْتُ لَهُ شَفِيعًا أَو شَهِيدا يَوْم الْقِيَامَة যে ব্যক্তি অনাগ্রহে মদীনা ত্যাগ করবে, তার পরিবর্তে আল্লাহ তার অপেক্ষা উত্তম ব্যক্তিকে তথায় দিবেন এবং যে মদীনার অভাব- অনটন ও দুঃখ-কষ্টে ধৈর্যের সাথে ঠিকে থাকবে কিয়ামতের দিন আমি তার জন্য সুপারিশকারী কিংবা সাক্ষী হব।
➥[২৫] মুসলিম, সূত্র: মিশকাত শরীফ, পৃ. ২৩৯, হাদিস নং ২৫৯৯
অর্থাৎ: নবী করিম রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর পছন্দীয় স্থান হিসেবে পার্থিব দুঃখ-কষ্ট সহ্য করে মদীনায় অবস্থান করতে হবে। মদীনার ফযিলতের কথা বিবেচনা করে দু:খ-কষ্টকে তুচ্ছ মনে করে ধৈর্য ধারণ করে বসবাস করলে এর বিনিময় স্বরূপ নবী করিম (ﷺ) গুনাহগারদের জন্য সুপারিশ করবেন আর নেককারদের জন্য সাক্ষী হবেন।
অনেক ওলামাগণ বলেছেন, মদীনা শরীফের কোন বস্তুকে খারাপ বলা যাবে না এবং কোন মন্দ জিনিসকে মদীনার দিকে সম্পর্কিত করা যাবে না।
++++++++++
গ্রন্থ: চল্লিশ হাদিস দ্বারা মদীনা শরীফের ফযিলত
রচনায়: হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি।
আরবী প্রভাষক,জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা,ষোলশহর, চট্টগ্রাম।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন