নবীজির মু'জিযা
(৪০)
------------
পোড়া হাত ভালো হওয়া-
❏ ইমাম বুখারী তারীখ গ্রন্থে বর্ণনা করেন, মুহাম্মদ ইবনে হাতেব (رضي الله عنه) বর্ণনা করেন, আমার উম্মে জামিল আমাকে বলেছেন যে, আমি তােমাকে হাবশা থেকে নিয়ে মদীনায় আগমণ করি। একরাতে আমি মদীনা শরীফে চুলায় ডেকচি তুলে রান্না করতেছি। লাকড়ি শেষ হয়ে গেলে আমি লাকড়ি আনতে গেলে তুমি ডেকচিতে হাত দিলে ডেকচি উল্টে তােমার বাহুতে পড়ে হাত পুড়ে গিয়েছিল। আমি তােমাকে নবী করিম (ﷺ) এর কাছে নিয়ে গেলে তিনি আমার বাহুতে লালা মােবারক লাগিয়ে দিতে দিতে এই দোয়া পাঠ করলেন
اذهب البأس رب الناس اشف أنت الشافي لا شفاء الا شفائك شفاء لا يغادر سقما
তখন আমি তাঁর সম্মুখ থেকে এখনাে উঠিনি তােমার হাত ভাল হয়ে গিয়েছে। ●৩০৪
_____________________________
304.{ইউসূফ নাবহানী (رحمة الله), হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামীন, উর্দু, গুজরাট, খন্ডঃ১ম পৃ:৬৮৬}
❏ ইমাম বায়হাকী ও আবু নঈম (رحمة الله) রাসূল ত’র আযাদকৃত দাসী রাজিনা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) আশুরার দিন নিজের ও হযরত ফাতেমা (رضي الله عنه)’র দুধপানকারী শিশুদেরকে ডেকে তাদের মুখে থু থু দিতেন। তারপর তাদের মা দেরকে বলতেন,
لا ترضعهم إلى الليل فكان ربقة يجزيهم.
আজ রাত পর্যন্ত এদেরকে দুধ পান করাইওনা, কেননা তাঁর লালা মােবারক তাদের পানাহরের জন্য যথেষ্ট হয়ে যেতাে। ●৩০৫
_____________________________
305.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত, খন্ড:১ম পৃ:১০৫}
❏ ইমাম তাবরানী ও ইবনে আসাকের (رحمة الله) হযরত আবু হােরায়রা (رضي الله عنه) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)র সাথে এক সফরে বের হলাম। পথে হযরত হাসান ও হােসাইন (رضي الله عنه)’র ক্রন্দনের আওয়াজ আসল। তারা উভয়ই তাদের মা হযরত ফাতেমা (رضي الله عنه)'র কাছে নবী করিম (ﷺ) দ্রুত তাঁর কাছে গিয়ে বললেন, আমার সন্তানদের কি হয়েছে, তারা কাঁদতেছে কেন? ফাতেমা (رضي الله عنه) বলেন, পিপাসা লেগেছে তাই কাঁদতেছে।
তিনি পানি তালাশ করলেন কিন্তু এক ফোঁটাও পাওয়া যায়নি। তখন তিনি হযরত ফাতেমা (رضي الله عنه) কে বললেন, তাদের একজনকে আমাকে দাও। তিনি (ফাতেমা) পর্দার আড়াল থেকে একজনকে দিলে রাসূল তাঁর বক্ষে লাগালেন আর উচ্চস্বরে কাঁদতে লাগল। তারপর তিনি তাঁর জ্বিহবা মােবারক তার মুখে রাখলে সে চুসতে লাগল আর ক্রন্দন বন্ধ করে চুপ হয়ে গেল। এভাবে অপরজনও কাঁদতে লাগলে, তাকেও অনুরূপ করলে সেও ক্রন্দন বন্ধ করে চুপ হয়ে গেল। এভাবে উভয় ছেলে চুপ হয়ে গেল আর তাদের ক্রন্দনের শব্দ শুনা যায়নি। ●৩০৬
_____________________________
306.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত, খন্ডঃ১ম পৃ:১০৬}।
+++++++++
বিষয় ভিত্তিক মুজিযাতুর রাসূল (ﷺ)
হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি
আরবি প্রভাষক,জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া,ষােলশহর, চট্টগ্রাম।
(৪০)
------------
পোড়া হাত ভালো হওয়া-
❏ ইমাম বুখারী তারীখ গ্রন্থে বর্ণনা করেন, মুহাম্মদ ইবনে হাতেব (رضي الله عنه) বর্ণনা করেন, আমার উম্মে জামিল আমাকে বলেছেন যে, আমি তােমাকে হাবশা থেকে নিয়ে মদীনায় আগমণ করি। একরাতে আমি মদীনা শরীফে চুলায় ডেকচি তুলে রান্না করতেছি। লাকড়ি শেষ হয়ে গেলে আমি লাকড়ি আনতে গেলে তুমি ডেকচিতে হাত দিলে ডেকচি উল্টে তােমার বাহুতে পড়ে হাত পুড়ে গিয়েছিল। আমি তােমাকে নবী করিম (ﷺ) এর কাছে নিয়ে গেলে তিনি আমার বাহুতে লালা মােবারক লাগিয়ে দিতে দিতে এই দোয়া পাঠ করলেন
اذهب البأس رب الناس اشف أنت الشافي لا شفاء الا شفائك شفاء لا يغادر سقما
তখন আমি তাঁর সম্মুখ থেকে এখনাে উঠিনি তােমার হাত ভাল হয়ে গিয়েছে। ●৩০৪
_____________________________
304.{ইউসূফ নাবহানী (رحمة الله), হুজ্জাতুল্লাহি আলাল আলামীন, উর্দু, গুজরাট, খন্ডঃ১ম পৃ:৬৮৬}
❏ ইমাম বায়হাকী ও আবু নঈম (رحمة الله) রাসূল ত’র আযাদকৃত দাসী রাজিনা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) আশুরার দিন নিজের ও হযরত ফাতেমা (رضي الله عنه)’র দুধপানকারী শিশুদেরকে ডেকে তাদের মুখে থু থু দিতেন। তারপর তাদের মা দেরকে বলতেন,
لا ترضعهم إلى الليل فكان ربقة يجزيهم.
আজ রাত পর্যন্ত এদেরকে দুধ পান করাইওনা, কেননা তাঁর লালা মােবারক তাদের পানাহরের জন্য যথেষ্ট হয়ে যেতাে। ●৩০৫
_____________________________
305.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত, খন্ড:১ম পৃ:১০৫}
❏ ইমাম তাবরানী ও ইবনে আসাকের (رحمة الله) হযরত আবু হােরায়রা (رضي الله عنه) থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমরা রাসূল (ﷺ)র সাথে এক সফরে বের হলাম। পথে হযরত হাসান ও হােসাইন (رضي الله عنه)’র ক্রন্দনের আওয়াজ আসল। তারা উভয়ই তাদের মা হযরত ফাতেমা (رضي الله عنه)'র কাছে নবী করিম (ﷺ) দ্রুত তাঁর কাছে গিয়ে বললেন, আমার সন্তানদের কি হয়েছে, তারা কাঁদতেছে কেন? ফাতেমা (رضي الله عنه) বলেন, পিপাসা লেগেছে তাই কাঁদতেছে।
তিনি পানি তালাশ করলেন কিন্তু এক ফোঁটাও পাওয়া যায়নি। তখন তিনি হযরত ফাতেমা (رضي الله عنه) কে বললেন, তাদের একজনকে আমাকে দাও। তিনি (ফাতেমা) পর্দার আড়াল থেকে একজনকে দিলে রাসূল তাঁর বক্ষে লাগালেন আর উচ্চস্বরে কাঁদতে লাগল। তারপর তিনি তাঁর জ্বিহবা মােবারক তার মুখে রাখলে সে চুসতে লাগল আর ক্রন্দন বন্ধ করে চুপ হয়ে গেল। এভাবে অপরজনও কাঁদতে লাগলে, তাকেও অনুরূপ করলে সেও ক্রন্দন বন্ধ করে চুপ হয়ে গেল। এভাবে উভয় ছেলে চুপ হয়ে গেল আর তাদের ক্রন্দনের শব্দ শুনা যায়নি। ●৩০৬
_____________________________
306.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত, খন্ডঃ১ম পৃ:১০৬}।
+++++++++
বিষয় ভিত্তিক মুজিযাতুর রাসূল (ﷺ)
হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি
আরবি প্রভাষক,জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়া,ষােলশহর, চট্টগ্রাম।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন