পৃ:- ২০
---------
তিনি ঢাকা থেকে বিদায় নিয়ে আবার যেখানে বৃদ্ধ লােক ও রাসুলের পদচিহ্নে পাথর রেখে এসেছিলেন ওখানে এসে উপস্থিত হন। সেখানে পেীছে বাক্সে গাছের ডাল রেখেছিলেন সেটি নিয়ে নৌকা থেকে নেমে পড়েন এবং বৃদ্ধ লােকের সামনেই বাক্স খুলে দেখতে পান যে শুকনাে ডালটি সবুজ ও তাজা হয়ে উঠেছে এবং তাতে পাতা গজাচ্ছে। এটি দেখে তিনি অত্যন্ত অবাক হন এবং সত্য মেনে নেন যে, এটি সত্যই রছুলুল্লাহ (সাঃ)-এর পায়ের চিহ্ন। ওখানে তিনি একটি পাকা বাড়ী নির্মাণ করে তাতে পবিত্র কদমের নকশা রেখে দেন । তারপর থেকে এ দরগাহ কদমরছুল নামে প্রসিদ্ধ হয় । বাড়ী কখন তৈরী হয়, তা জানা যায়নি। তবে এ দরগাহের প্রদীপ ইত্যাদির জন্য শাহ সুজা যে ৮০ বিঘা জমি জায়গীরস্বরূপ দিয়াছিলেন, তার সনদের তারিখ সম্রাট শাহজাহানের সিংহাসনে আরােহণের পঞ্চদশ
বছর মুতারি ১৬৪২ খ্রীষ্টাব্দে। এই সনদ ঢাকার কালেকটরীতে এখনাে আছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে কদমরছুল দরগাহ্ শরীফে প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে মিলাদ শরীফের মজলিশ এবং ভােজের আয়ােজন হয়।
সমাপ্ত
---------
তিনি ঢাকা থেকে বিদায় নিয়ে আবার যেখানে বৃদ্ধ লােক ও রাসুলের পদচিহ্নে পাথর রেখে এসেছিলেন ওখানে এসে উপস্থিত হন। সেখানে পেীছে বাক্সে গাছের ডাল রেখেছিলেন সেটি নিয়ে নৌকা থেকে নেমে পড়েন এবং বৃদ্ধ লােকের সামনেই বাক্স খুলে দেখতে পান যে শুকনাে ডালটি সবুজ ও তাজা হয়ে উঠেছে এবং তাতে পাতা গজাচ্ছে। এটি দেখে তিনি অত্যন্ত অবাক হন এবং সত্য মেনে নেন যে, এটি সত্যই রছুলুল্লাহ (সাঃ)-এর পায়ের চিহ্ন। ওখানে তিনি একটি পাকা বাড়ী নির্মাণ করে তাতে পবিত্র কদমের নকশা রেখে দেন । তারপর থেকে এ দরগাহ কদমরছুল নামে প্রসিদ্ধ হয় । বাড়ী কখন তৈরী হয়, তা জানা যায়নি। তবে এ দরগাহের প্রদীপ ইত্যাদির জন্য শাহ সুজা যে ৮০ বিঘা জমি জায়গীরস্বরূপ দিয়াছিলেন, তার সনদের তারিখ সম্রাট শাহজাহানের সিংহাসনে আরােহণের পঞ্চদশ
বছর মুতারি ১৬৪২ খ্রীষ্টাব্দে। এই সনদ ঢাকার কালেকটরীতে এখনাে আছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে কদমরছুল দরগাহ্ শরীফে প্রতি বছর রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে মিলাদ শরীফের মজলিশ এবং ভােজের আয়ােজন হয়।
সমাপ্ত
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন