ওহাবী চিনার সহজ উপায়
১। তাহারা ঘন ঘন মাথা মুন্ডায়।
২। উচ্চস্বরে, সম্মিলিতভাবে দরূদ সালাম পড়ে না। শুধু প্রয়োজনে দুই একবার দরূদে ইব্রাহিমী পড়ে। মুলত: তারা মিলাদ ও কিয়ামের ঘোর বিরোধী।
৩। আযানের পরে হাত তুলে মোনাজাত করে না।
৪। আযানে মুনাজাত/দোয়ায় “ওয়ার যুকনা শাফায়াতাহু ইয়াওমাল কিয়ামাহ্” বলে না।
৫। খাবার পর শোকরানা মোনাজাত করে না।
৬। কুরআন শরীফ পাঠান্তে “ওয়াসাদাকা রাসুলুহুন্নাবীউল কারীম” বলে না।
৭। হাট হাজারী পন্থী ওহাবীরা ফরজ নামাজের পর হাত উঠিয়ে মোনাজাত করে না। অবশ্য অন্যান্য ওহাবীরা ফরজ নামাজের পর সম্মিলিতভাবে মোনাজাত করে।
৮। তাদের ওয়াজ নসিহতে নবী অলীর শান-মান ও মর্যাদার কোন আলোচনা স্থান পায় না।
৯। শ্লোগানে তারা শুধু “আল্লাহু আকবর” বলে, “নারায়ে রেসালাত - ইয়া রাসুলাল্লাহ” বলে না। কারন তাদের মতে “ইয়া-রাসুলাল্লাহ” বলা শিরক।
১০। দাফনের পর “কবরে তালকীন” করে না।
১১। জানাযার নামাজের পর তারা মুনাজাত করে না। পুরা জানাযার নামাজকেই তারা দোয়া মনে করে।
১২। হুজুর (ﷺ)-এর নাম মোবারক সম্মান সূচক শব্দ দ্বারা উল্লেখ করে না।
১৩। ঈদে মিলাদুন্নবী (ﷺ) রজনীতে, শ’বে বরাতের রজনীতে তাদেরকে মসজিদে পাওয়া যায় না।
_________________
কিতাব : হক্ব-বাতিলের পরিচয় ও ঈমান রক্ষা
গ্রন্থনা ও সংকলনে:
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল খুরশীদ আলম (অবঃ)
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন