❏ দরসে হাদীসঃ [হাদীস নং- (১৬১৩)]
○ অধ্যায়ঃ [মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা]
[ﻭﻋﻦ ﺍﺑﻦ ﻋﻤﺮ ﺍﻥ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﷺ ﻛﺎﻥ ﺍﺫﺍ ﺍﺩﺧﻞ ﺍﻟﻤﻴﺖ ﺍﻟﻘﺒﺮ ﻗﺎﻝ ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻪ ﻭﺑﺎﻟﻠﻪ ﻭﻋﻠﻰ ﻣﻠﺔ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻓﻰ ﺭﻭﻳﺔ ﻭﻋﻠﻰ ﺳﻨﺔ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ . ]
: ( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺣﻤﺪ ﻭﺍﻟﺘﺮﻣﺬﻯ ﻭﺍﺑﻦ ﻣﺎﺟﺔ ﻭﺭﻭﻯ ﺍﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ ﺍﻟﺜﺎﻧﻴﺔ )
হযরত ইবনে ওমর [ﺭﺿﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻬﻤﺎ] থেকে বর্ণিত, নবী করীম [ﷺ] যখন মৃতকে কবরে নামাতেন, তখন এরশাদ করতেন, "আল্লাহ্'র নামে আল্লাহ্'রই সাহায্যক্রমে এবং আল্লাহ্'র রাসূলের দ্বীনের উপর।" অন্য এক বর্ণনায় আছে- 'আল্লাহ্'র রাসূলের সুন্নাতের উপর।' (টীকাঃ ১)
[আহমদ, তিরমিযী, ইবনে মাজাহ্] ইমাম আবূ দাঊদ দ্বিতীয় বর্ণনাটা করেছেন।
□ উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখায় বলা হয়েছেঃ
◇ টীকাঃ ১.
অর্থাৎ নামানোর সময় এ কলেমাগুলো বলছিলেন।
স্মর্তব্য যে, সরকার-ই মদীনা এ কয়েকজন উত্তম সাহাবীকেই কবরে নামিয়েছেন। কিন্তু এ কলেমাগুলো সবার দাফনের সময় সব সময় বলতেন। সুতরাং ﺍﺩﺧﻞ (প্রবেশ করিয়েছেন) -এর অর্থ প্রত্যক্ষভাবে, কিংবা পরোক্ষভাবে কবরে নামানো।
□ হাদীস শরীফের ব্যাখ্যা সম্বলিত টীকা পেতে সার্চ করুনঃ
f/Ishq-E-Mustafa ﷺ
[সূত্রঃ মিরআতুল মানাজীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, কৃত- মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী আশরাফী বদায়ূনী, বঙ্গানুবাদঃ মাওলানা আব্দুল মান্নান, ২য় খন্ড, পৃ. ৬০৭, হাদীস নং-১৬১৩ এর টীকাঃ ২৩ দ্রব্যষ্ট, প্রকাশনায়ঃ ইমাম আহমদ রেযা রিসার্চ একাডেমী, চট্টগ্রাম।
❏ দরসে হাদীসঃ [হাদীস নং- (১৬১৮)]
○ অধ্যায়ঃ [মৃত ব্যক্তিকে দাফন করা]
[ﻭﻋﻦ ﺍﻟﻘﺎﺳﻢ ﺑﻦ ﻣﺤﻤﺪ ﻗﺎﻝ ﺩﺧﻠﺖ ﻋﻠﻰ ﻋﺂﺋﺸﺔ ﻓﻘﻠﺖ ﻳﺎ ﺍﻣﺎﻩ ﺍﻛﺸﻔﻰ ﻋﻦ ﻗﺒﺮ ﺍﻟﻨﺒﻰ ﷺ ﻭﺻﺎﺣﺒﻴﻪ ﻓﻜﺸﻔﺖ ﻟﻰ ﻋﻦ ﺛﻠﺜﺔ ﻗﺒﻮﺭ ﻻ ﻣﺸﺮﻓﺔ ﻭﻻ ﻻﻃﺌﺔ ﻣﻄﺒﻮﺣﺔ ﺑﺒﻄﺤﺎﺀ ﺍﻟﻌﺮﺻﺔ ﺍﻟﺤﻤﺮﺍﺀ . ] : ( ﺭﻭﺍﻩ ﺍﺑﻮ ﺩﺍﻭﺩ )
হযরত ক্বাসেম ইবনে মুহাম্মদ [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ] (টীকাঃ ১) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি হযরত আয়েশার নিকট গেলাম এবং আরয করলাম, "আম্মাজান! আমাকে নবী করীম [ﷺ] ও তাঁর দু'সাথীর কবর খুলে দেখিয়ে দিন। (টীকাঃ ২) তিনি আমার সামনে কবর তিনটি খুললেন, যেগুলো না বেশী উঁচু ছিলো, না মাটির সমান, যেগুলোর উপর ময়দানের লাল বড় পাথর বিছানো ছিলো।" (টীকাঃ ৩)
[আবূ দাঊদ]
□ উক্ত হাদীস শরীফের ব্যাখায় বলা হয়েছেঃ
১। (হযরত ক্বাসেম ইবনে মুহাম্মদ [ﺭﺿﻲ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﻪ])
◇ টীকাঃ ১.
তিনি হযরত আবূ বকর সিদ্দীক্বের পৌত্র। অর্থাৎ মুহাম্মদ ইবনে আবূ বকরের পুত্র।
২। (তিনি বলেন, আমি হযরত আয়েশার নিকট গেলাম এবং আরয করলাম, "আম্মাজান! আমাকে নবী করীম [ﷺ] ও তাঁর দু'সাথীর কবর খুলে দেখিয়ে দিন।)
◇ টীকাঃ ২.
হুজুরা শরীফ বন্ধ থাকতো, যা'তে নুবূয়তের সমুজ্জ্বল সূর্যের পাশে দু'টি আলোকোজ্জ্বল পূর্ণিমার চাঁদ শু'য়ে আছেন। এর চাবি হযরত আয়েশা সিদ্দীক্বার নিকট থাকতো। যে কারো যিয়ারত করার ইচ্ছা হতো, তাঁর দ্বারা হুজুরা শরীফ খুলিয়ে যিয়ারত করতেন।
এ থেকে বুঝা গেলো যে, বুযুর্গদের কবরের পাশে অবস্থানকারী থাকা, ওখানে কবরের ব্যবস্থাপনা করা, চাবি নিজের নিকট রাখা- সবই সুন্নাত-ই সাহাবা। এ হাদীস শরীফ বহু মাস্'আলার উৎস দলীল।
৩। (তিনি আমার সামনে কবর তিনটি খুললেন, যেগুলো না বেশী উঁচু ছিলো, না মাটির সমান, যেগুলোর উপর ময়দানের লাল বড় পাথর বিছানো ছিলো।)
◇ টীকাঃ ৩.
এ থেকে বুঝা গেলো যে, প্রথম থেকেই তাঁর কবর শরীফ নিরেট কাঁচা ছিলো না; বরং সেটার উপর লাল রংয়ের পাথর বিছানো ছিলো। সমস্ত দর্শক লাল পাথরের কথাই বর্ণনা করেছেন।
□ হাদীস শরীফের ব্যাখ্যা সম্বলিত টীকা পেতে সার্চ করুনঃ
f/Ishq-E-Mustafa ﷺ
[সূত্রঃ মিরআতুল মানাজীহ শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ, কৃত- মুফতী আহমদ ইয়ার খান নঈমী আশরাফী বদায়ূনী, বঙ্গানুবাদঃ মাওলানা আব্দুল মান্নান, ২য় খন্ড, পৃ. ৬১০, হাদীস নং-১৬১৮ এর টীকাঃ ৩৫, ৩৬, ৩৭ দ্রব্যষ্ট, প্রকাশনায়ঃ ইমাম আহমদ রেযা রিসার্চ একাডেমী, চট্টগ্রাম।]
🌍 ইসলামী বিশ্বকোষ এপ্স।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islamboi.rizwan]
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন