নবীজির মু'জিযা
(৩৩)
++++++
দূর্বল ও অসুস্থ ছাগল থেকে প্রচুর দুধ দোহন করা-
-----------------
❏ ইমাম বগভী, ইবনে শাহীন, ইবনে সাকন, ইবনে মুনদাহ, তাবরানী, হাকেম, বায়হাকী ও আবু নঈম (رحمة الله) হুবাইশ ইবনে খালেদ থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) আবু বকর ও তাঁর গােলাম ফুহাইরা এবং তাদের পথ প্রদর্শক আব্দুল্লাহ ইবনে আরকীত মক্কা থেকে মদীনা হিযরতের সময় উম্মে মা’বাদের দুই তাঁবুর পাশ দিয়ে গমণ করছিলেন। উম্মে মাবাদ ছিলেন বয়স্ক ও অত্যন্ত বিচক্ষণ। তিনি তাঁবুর বাইরে চাদর মুড়িয়ে বসে থাকতেন আর পথিককে পানাহার করাতেন। তারা তার কাছ থেকে মাংস ও খেজুর কিনতে চাইলেন কিন্তু কিছুই পেলেন না। অতঃপর রাসূল (ﷺ) তাঁবুর এক পাশে একটি ছাগল দেখে জিজ্ঞেস করেন- হে উম্মে মাবাদ! এটা কি রকম ছাগল? উম্মে মা'বাদ উত্তর দিলেন, ছাগলটি রােগে দূর্বল হওয়ায় অন্যান্য ছাগলের সাথে চারণভূমিতে যেতে অক্ষম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এটাতে দুধ পাওয়া যাবে? উম্মে মা'বাদ উত্তর দিলেন, ছাগলটি খুবই অসুস্থ। তিনি বললেন, তুমি আমাকে এটা থেকে দুধ দোহন করতে অনুমতি দেবে? উত্তরে উম্মে মা'বাদ বললেন, আপনি যদি দুধ পাবেন বলে মনে করেন তবে দোহন করুন।
রাসূল (ﷺ) দুর্বল অসুস্থ ছাগলটি আনালেন এবং স্তনে স্বীয় হাত মােবারক মালিশ করলেন আর আল্লাহর নাম নিয়ে উম্মে মা’বাদের জন্য এবং তার ছাগলের জন্য দোয়া করেন। সাথে সাথে ছাগল দুধ দোহনের জন্য পা ফাঁক করে দিয়ে স্তনে দুধ ভর্তি করে দিল। তিনি দশজনের জন্য যথেষ্ট হয় এমন এক বড় পাত্র সংগ্রহ করে তাতে দুধ দোহন করেন এবং পাত্র উপছে পড়ার উপক্রম হল। তারপর প্রথমে উম্মে মা'বাদকে তারপর স্বীয় সাথীদেরকে পরিতৃপ্ত করে পান করালেন। সর্বশেষে তিনি নিজে দুধ পান করেন। এভাবে সবাই দ্বিতীয়বার দুধ পান করেন। এরপর তিনি পাত্রে দ্বিতীয়বার দুধ দোহন করেন। এবারও দুধে পাত্র পূর্ণ হয়ে যায়। এই দুধ উম্মে মা’বাদকে দিয়ে তার থেকে বাইয়াত গ্রহণ করে চলে যান।
এর কিছুক্ষণ পর উম্মে মা’বাদের স্বামী আবু মা’বাদ জঙ্গল থেকে দুর্বল ছাগলগুলাে নিয়ে এসেছেন। তিনি দুধ দেখে অবাক হয়ে বললেন, তােমার কাছে দুধ কোথা হতে আসল? অথচ ছাগল চারণভূমিতে দূরে ঘরে অবস্থান করতেছে। তখন উম্মে মা'বাদ বললেন, খােদার কসম, আমাদের পাশ দিয়ে এমন বরকতময় ব্যক্তির গমণ হয়েছে যার অবস্থা এরূপ এরূপ। তিনি তার স্বামীকে রাসূল (ﷺ) এর পরিচয় ও গুণাবলী পুঙ্খানুঙ্খরূপে বর্ণনা করেন। ●৩২৯
_____________________________
329.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত, খণ্ড:১ম পৃ:৩০৯}
❏ ইবনে সা’দ ও আবু নঈম (رحمة الله) ওয়াকেদীর সূত্রে বর্ণনা করেন, উম্মে মা’বাদ বর্ণনা করেন, যে ছাগলটির স্তনে নবী করিম (ﷺ) হাত মােবারক মালিশ করে দুধ দোহন করেছিলেন ঐ ছাগলটি আমাদের কাছে হযরত ওমর ফারুক (رضي الله عنه)'র যামানা পর্যন্ত ছিল। সকাল-সন্ধ্যা আমরা ওটা থেকে দুধ দোহন করতাম অথচ অনাবৃষ্টি ও দুর্ভিক্ষের কারণে ঘাস বা ছাগলের খাবার যােগ্য কিছুই ছিলনা। ●৩৩০
_____________________________
330.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত,, পৃ:৩১১}
++++++++++
হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি বইসমগ্র
এপ্স টি তে রয়েছে
চল্লিশ হাদিস দ্বারা মদীনা শরীফের ফযিলত,
শরহে মুসনাদে ইমাম আ‘যম আবু হানিফা(رحمة الله) ও
বিষয় ভিত্তিক মুজিযাতুর রাসূল (ﷺ)
👉https://play.google.com/store/apps/details?id=sunniencyclopedia.blogspot.com.usmangoniall
🌬যাজাকাল্লাহু খাইরান
(৩৩)
++++++
দূর্বল ও অসুস্থ ছাগল থেকে প্রচুর দুধ দোহন করা-
-----------------
❏ ইমাম বগভী, ইবনে শাহীন, ইবনে সাকন, ইবনে মুনদাহ, তাবরানী, হাকেম, বায়হাকী ও আবু নঈম (رحمة الله) হুবাইশ ইবনে খালেদ থেকে বর্ণনা করেন, রাসূল (ﷺ) আবু বকর ও তাঁর গােলাম ফুহাইরা এবং তাদের পথ প্রদর্শক আব্দুল্লাহ ইবনে আরকীত মক্কা থেকে মদীনা হিযরতের সময় উম্মে মা’বাদের দুই তাঁবুর পাশ দিয়ে গমণ করছিলেন। উম্মে মাবাদ ছিলেন বয়স্ক ও অত্যন্ত বিচক্ষণ। তিনি তাঁবুর বাইরে চাদর মুড়িয়ে বসে থাকতেন আর পথিককে পানাহার করাতেন। তারা তার কাছ থেকে মাংস ও খেজুর কিনতে চাইলেন কিন্তু কিছুই পেলেন না। অতঃপর রাসূল (ﷺ) তাঁবুর এক পাশে একটি ছাগল দেখে জিজ্ঞেস করেন- হে উম্মে মাবাদ! এটা কি রকম ছাগল? উম্মে মা'বাদ উত্তর দিলেন, ছাগলটি রােগে দূর্বল হওয়ায় অন্যান্য ছাগলের সাথে চারণভূমিতে যেতে অক্ষম। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, এটাতে দুধ পাওয়া যাবে? উম্মে মা'বাদ উত্তর দিলেন, ছাগলটি খুবই অসুস্থ। তিনি বললেন, তুমি আমাকে এটা থেকে দুধ দোহন করতে অনুমতি দেবে? উত্তরে উম্মে মা'বাদ বললেন, আপনি যদি দুধ পাবেন বলে মনে করেন তবে দোহন করুন।
রাসূল (ﷺ) দুর্বল অসুস্থ ছাগলটি আনালেন এবং স্তনে স্বীয় হাত মােবারক মালিশ করলেন আর আল্লাহর নাম নিয়ে উম্মে মা’বাদের জন্য এবং তার ছাগলের জন্য দোয়া করেন। সাথে সাথে ছাগল দুধ দোহনের জন্য পা ফাঁক করে দিয়ে স্তনে দুধ ভর্তি করে দিল। তিনি দশজনের জন্য যথেষ্ট হয় এমন এক বড় পাত্র সংগ্রহ করে তাতে দুধ দোহন করেন এবং পাত্র উপছে পড়ার উপক্রম হল। তারপর প্রথমে উম্মে মা'বাদকে তারপর স্বীয় সাথীদেরকে পরিতৃপ্ত করে পান করালেন। সর্বশেষে তিনি নিজে দুধ পান করেন। এভাবে সবাই দ্বিতীয়বার দুধ পান করেন। এরপর তিনি পাত্রে দ্বিতীয়বার দুধ দোহন করেন। এবারও দুধে পাত্র পূর্ণ হয়ে যায়। এই দুধ উম্মে মা’বাদকে দিয়ে তার থেকে বাইয়াত গ্রহণ করে চলে যান।
এর কিছুক্ষণ পর উম্মে মা’বাদের স্বামী আবু মা’বাদ জঙ্গল থেকে দুর্বল ছাগলগুলাে নিয়ে এসেছেন। তিনি দুধ দেখে অবাক হয়ে বললেন, তােমার কাছে দুধ কোথা হতে আসল? অথচ ছাগল চারণভূমিতে দূরে ঘরে অবস্থান করতেছে। তখন উম্মে মা'বাদ বললেন, খােদার কসম, আমাদের পাশ দিয়ে এমন বরকতময় ব্যক্তির গমণ হয়েছে যার অবস্থা এরূপ এরূপ। তিনি তার স্বামীকে রাসূল (ﷺ) এর পরিচয় ও গুণাবলী পুঙ্খানুঙ্খরূপে বর্ণনা করেন। ●৩২৯
_____________________________
329.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত, খণ্ড:১ম পৃ:৩০৯}
❏ ইবনে সা’দ ও আবু নঈম (رحمة الله) ওয়াকেদীর সূত্রে বর্ণনা করেন, উম্মে মা’বাদ বর্ণনা করেন, যে ছাগলটির স্তনে নবী করিম (ﷺ) হাত মােবারক মালিশ করে দুধ দোহন করেছিলেন ঐ ছাগলটি আমাদের কাছে হযরত ওমর ফারুক (رضي الله عنه)'র যামানা পর্যন্ত ছিল। সকাল-সন্ধ্যা আমরা ওটা থেকে দুধ দোহন করতাম অথচ অনাবৃষ্টি ও দুর্ভিক্ষের কারণে ঘাস বা ছাগলের খাবার যােগ্য কিছুই ছিলনা। ●৩৩০
_____________________________
330.{ইমাম সুয়ূতী, জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (رحمة الله) (৯১১হি.), আল খাসায়েসুল কুবরা, আরবী, বৈরুত,, পৃ:৩১১}
++++++++++
হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ ওসমান গণি বইসমগ্র
এপ্স টি তে রয়েছে
চল্লিশ হাদিস দ্বারা মদীনা শরীফের ফযিলত,
শরহে মুসনাদে ইমাম আ‘যম আবু হানিফা(رحمة الله) ও
বিষয় ভিত্তিক মুজিযাতুর রাসূল (ﷺ)
👉https://play.google.com/store/apps/details?id=sunniencyclopedia.blogspot.com.usmangoniall
🌬যাজাকাল্লাহু খাইরান
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন