নূরনবী ﷺ

সংযোজনী-৪

কোরআন মজিদের ৪০ আয়াতে আল্লাহ-রাসূলের নাম একসাথে পাশাপাশি
========
(১)   وَمَنۡ  يُّطِعِ   اللّٰهَ    وَرَسُوۡلَهٗ  يُدۡخِلۡهُ  جَنّٰتٍ  تَجۡرِىۡ  مِنۡ  تَحۡتِهَا الۡاَنۡهٰرُ خٰلِدِيۡنَ فِيۡهَا‌
“যে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের অনুগত হবে, তিনি  তাকে জান্নাতে     প্রবেশ    করাবেন     যেগুলোর    তলদেশ     দিয়ে স্রোতস্বিনী     প্রবাহিত      হবে।     তারা      সেখানে     চিরকাল থাকবে।“ (নিসা-১৩)

(২) وَمَنۡ يَّعۡصِ اللّٰهَ وَرَسُوۡلَهٗ وَيَتَعَدَّ حُدُوۡدَهٗ يُدۡخِلۡهُ نَارًا خَالِدًا  فِيۡهَا
“আর  যে ব্যক্তি  আল্লাহ  ও  তাঁর রাসূলের অবাধ্য   হবে, তাকে তিনি জাহান্নামে প্রবেশ করাবেন।” (নিসা-১৪)

(৩) يٰۤاَيُّهَا   الَّذِيۡنَ  اٰمَنُوۡۤا   اَطِيۡعُوۡا اللّٰهَ  وَاَطِيۡعُوۡا الرَّسُوۡلَ  وَاُولِىۡ  الۡاَمۡرِ مِنۡكُمۡ‌ۚ
”হে    ঈমানদারগণ,   তোমরা    আল্লাহর   আনুগত্য   করো এবং  রাসূলের    আনুগত্য   করো  এবং  তোমাদের  মধ্যে  উলিল আমরেরও।” (নির্দেশদাতা) (নিসা-৫৯)

(৪) فَاِنۡ تَنَازَعۡتُمۡ فِىۡ شَىۡءٍ فَرُدُّوۡهُ اِلَى اللّٰه وَرَسُوْلِه
”যদি   তোমরা      কোন   বিষয়ের   সিদ্ধান্ত   গ্রহণে   বিবাদে লিপ্ত হও তাহলে   উক্ত   বিষয়টির ফায়সালা  আল্লাহ  ও তাঁর রাসূলের কাছে ন্যাস্ত করো।” (নিসা-৫৯)

(৫) مَنۡ يُّطِعِ الرَّسُوۡلَ فَقَدۡ اَطَاعَ اللّٰهَ‌ۚ
”যে   রাসূলের    আনুগত্য     করে,   সে   মূলতঃ    আল্লাহরই আনুগত্য করলো” (নিসা-৮০)

(৬)  اِنَّ الَّذِيْنَ يَكْفُرُوْنَ  بِاللهِ وَرَسُلِه  وَيُرِيْدُوْنَ  اَنْ يُّفَرِّقُوْا بَيْنَ اللهِ  وَرَسُوْلِه وَيَقُلُوْنَ نؤْمِنُ بِبَعْضٍ وَنَكْفُرُ بِبَعْضٍ  وَّيُرِيْدُوْنَ اَنْ يَّتَّخِذُوْا بَيْنَ ذَلِكَ سَبِيْلاَ- اُوْلئِكَ هُمُ الْكَافِرُوْنَ حَقَّا
”যারা     আল্লাহ্     ও   তাঁর    রাসূলগণকে   অস্বীকার   করে এবং আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলগণের মধ্যে তারতম্য করতে ইচ্ছা করে এবং বলে- আমরা কিছু মানি- কিছু মানিনা এবং    আল্লাহ    ও    রাসূলগণের    মধ্যবর্তী    তৃতীয়    রাস্তা  উদ্ভাবনক            রতে             চায়-তারাই           পাক্কা           কাফের।” (নিসা-১৫০)

(৭)  اِنَّمَا   جَزٰٓؤُا  الَّذِيۡنَ  يُحَارِبُوۡنَ   اللّٰهَ   وَرَسُوۡلَهٗ  وَيَسۡعَوۡنَ     فِىۡ  الۡاَرۡضِ فَسَادًا اَنۡ يُّقَتَّلُوۡۤا اَوۡ يُصَلَّبُوۡۤا
”যারা  আল্লাহ্   ও  তাঁর  রাসূলের  বিরূদ্ধে  সংগ্রাম   করে এবং   জমীনে   ফাছাদ  সৃষ্টি   করতে   সচেষ্ট   হয়,   তাদের একমাত্র     শাস্তি      হচ্ছে     কতল     করা    অথবা     ফাঁসিতে চড়ানো।” (মায়েদা-৩৩)

(৮) قُلِ الۡاَنۡفَالُ لِلّٰهِ وَالرَّسُوۡلِ‌ۚ
”বলুন   হে   প্রিয়    হাবীব!   যুদ্ধে   প্রাপ্ত   সম্পদের    মালিক হচ্ছেন আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল [ﷺ]।” (আন্-ফাল-১)

(৯) وَمَنۡ يُّشَاقِقِ اللّٰهَ وَرَسُوۡلَهٗ فَاِنَّ اللّٰهَ شَدِيۡدُ الۡعِقَابِ‏
”যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয়, নিঃসন্দেহে (তাদের         জন্য)        আল্লাহর        শাস্তি        অতি          কঠোর।” (আনফাল-১৩)

(১০)   فَاضۡرِبُوۡا   فَوۡقَ   الۡاَعۡنَاقِ  وَاضۡرِبُوۡا   مِنۡهُمۡ   كُلَّ  بَنَانٍؕ‏   ذٰلِكَ بِاَنَّهُمۡ شَآقُّوۡا اللّٰهَ وَرَسُوۡلَهٗ‌
”হে     ফেরেশতাগণ,     তোমরা    বদরের    যুদ্ধে    কোরাইশ  কাফিরদের    গর্দানের    শাহ্নগে    এবং    তাদের    শরীরের  জোড়ায় জোড়ায় আঘাত হানো। কেননা, তারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হয়ে গেছে।” (আনফাল-১৩)

(১১) يٰۤاَيُّهَا الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا اسۡتَجِيۡبُوۡا لِلّٰهِ وَلِلرَّسُوۡلِ اِذَا دَعَاكُمۡ
”হে   মু’মিনগণ,   তোমরা   আল্লাহ-রাসূলের  ডাকে   সাড়া দাও        –        যখনই         রাসূল          তোমাদেরকে        ডাকেন।”  (আন্-ফাল-২৪)

(১২) وَاعۡلَمُوۡۤا اَنَّمَا غَنِمۡتُمۡ مِّنۡ شَىۡءٍ فَاَنَّ لِلّٰهِ خُمُسَهٗ وَلِلرَّسُوۡلِ
”হে   মু’মিনগণ!   জেনে   নাও-   তোমরা   গণিমতের   মাল  হিসাবে    যা     কিছু    পেয়েছো-     তার    পঞ্চমাংশের    খাস মালিক             হচ্ছেন             আল্লাহ               ও             তাঁর             রাসূল।”  (আন্-ফাল-৪১)

(১৩)       بَرَآءَةٌ      مِّنَ       اللّٰهِ     وَرَسُوۡلِهٖۤ     اِلَى     الَّذِيۡنَ     عٰهَدتُّمۡ      مِّنَ الۡمُشۡرِكِيۡنَ
”আল্লাহ   ও তাঁর রাসূলের   পক্ষ  হতে সম্পর্কচ্ছেদ করা হলো মুশরিকদের সাথে।” (তাওবা-১)

(১৪)وَأَذَانٌ مِّنَ اللّهِ   وَرَسُولِهِ إِلَى النَّاسِ يَوْمَ الْحَجِّ  الأَكْبَرِ أَنَّ  اللّهَ بَرِيءٌ مِّنَ الْمُشْرِكِينَ وَرَسُولُهُ
”আর হজ্বে  আকবরের দিনে আল্লাহ্   ও  তাঁর  রাসূলের পক্ষ হতে এই ঘোষণা করা হলো যে, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূল [ﷺ] মুশরিকদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন।” (তওবা-৩)

(১৫)  وَلَمۡ  يَتَّخِذُوۡا   مِنۡ   دُوۡنِ   اللّٰهِ   وَلَا   رَسُوۡلِهٖ   وَلَا  الۡمُؤۡمِنِيۡنَ  وَلِيۡجَةً‌ؕ
”যারা  আল্লাহ্,  তাঁর  রাসূল     ও  মু’মিনগণ  ব্যতিত   অন্য কাউকে  অন্তরঙ্গ বন্ধু   হিসাবে গ্রহণ   করা   থেকে বিরত থাকেনি”-      (সেসব    মুনাফিকদেরকে    এমনিতে      ছেড়ে দেয়া হবে না)। (তওবা-১৬)

(১৬) وَلَا يُحَرِّمُوۡنَ مَا حَرَّمَ اللّٰهُ وَرَسُوۡلُهٗ
(”যুদ্ধ  করো তাদের বিরুদ্ধে)- যারা হারাম মনে  করেনা ঐ  জিনিসকে-  যা  আল্লাহ্   ও  তাঁর  রাসূল  [ﷺ]   হারাম ঘোষনা করেছেন” (তাওবা-২৯)।

(১৭) وَمَا   مَنَعَهُمۡ اَنۡ تُقۡبَلَ  مِنۡهُمۡ نَفَقٰتُهُمۡ  اِلَّاۤ اَنَّهُمۡ     كَفَرُوۡا بِاللّٰهِ وَبِرَسُوۡلِهٖ
”মুনাফিকদের  দান  কবুল   না   হওয়ার  একমাত্র  কারণ হলো-     তারা     আল্লাহ     ও      তার     রাসূলকে       অস্বীকার  করছে।” (তাওবা-৫৪)

(১৮) وَلَوۡ اَنَّهُمۡ رَضُوۡا مَاۤ اٰتٰٮهُمُ اللّٰهُ وَرَسُوۡلُهٗۙ
”কতই  না  ভাল হতো- যদি মুনাফিকরা আল্লাহ্ ও  তাঁর রাসূল     প্রদত্ত্ব      গণিমতের      সম্পদে     রাযী        থাকতো”’। (তাওবা-৫৯)

(১৯) وَقَالُوۡا حَسۡبُنَا اللّٰهُ سَيُؤۡتِيۡنَا اللّٰهُ مِنۡ فَضۡلِهٖ وَرَسُوۡلُهٗ
(আর    মুনাফিকরা    যা   পেয়েছে,   তাতে   সন্তুষ্ট    থেকে)- ”যদি    তারা    বলতো-    আল্লাহ    ও    তাঁর    রাসূল    আপন  অনুগ্রহে    যা  দিয়েছেন-  এটাই  আমাদের  জন্য     যথেষ্ট- তাহলে কতই না ভাল হতো।” (তাওবা-৫৯)

(২০) وَاللّٰهُ وَرَسُوۡلُهٗۤ اَحَقُّ اَنۡ يُّرۡضُوۡهُ اِنۡ كَانُوۡا مُؤۡمِنِيۡنَ
”আল্লাহ্           এবং           তাঁর           রাসূলকে           রাজী           রাখাই  অত্যাবশ্যক-          যদি          তারা          মু’মিন          হয়ে          থাকে।” (তাওবা-৬২)

(২১) اَلَمۡ يَعۡلَمُوۡۤا اَنَّهٗ مَنۡ يُّحَادِدِ اللّٰهَ وَرَسُوۡلَهٗ فَاَنَّ لَهٗ نَارَ جَهَنَّمَ خٰلِدًا فِيۡهَا‌ؕ
”তারা কি একথা অবগত নয় যে, যারা আল্লাহ্ ও  তাঁর রাসূলের  সাথে  শত্রুতা   করেছে-    তাদের   জন্য   রয়েছে জাহান্নামের আগুন।” (তাওবা-৬৩)

(২২) اَغۡنٰٮهُمُ اللّٰهُ وَرَسُوۡلُهٗ مِنۡ فَضۡلِهٖ‌ۚ
”আল্লাহ ও তাঁর প্রিয় রাসূল আপন অনুগ্রহে তাদেরকে ধনী বানিয়েছে।” (তাওবা-৭৪)

(২৩)  وَاِذَا  دُعُوۡۤا  اِلَى  اللّٰهِ   وَرَسُوۡلِهٖ    لِيَحۡكُمَ  بَيۡنَهُمۡ    اِذَا   فَرِيۡقٌ مِّنۡهُمۡ مُّعۡرِضُوۡنَ
”যখন      আল্লাহ      ও         তাঁর       রাসূল      মোনাফিকদেরকে আহ্বান    করেন    তাদের   মধ্যে    ফায়সালা   করে    দিতে, তখন        তাদের        একটি        দল        মুখ        ফিরিয়ে        নেয়।”  (ছুরানূর-৪৮)

(২৪)أَفِي قُلُوبِهِم مَّرَضٌ أَمِ ارْتَابُوا أَمْ يَخَافُونَ أَن يَحِيفَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ وَرَسُولُهُ
“মুনাফিকরা  কি  ভয়  পায়  যে,   আল্লাহ   ও  তাঁর  রাসূল  তাদের প্রতি অবিচার করবেন?” (নূর-৫০)

(২৫) اِنَّمَا الۡمُؤۡمِنُوۡنَ الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا بِاللّٰهِ وَرَسُوۡلِهٖ
“প্রকৃত       মুমিনতো       তারাই-      যারা       আল্লাহ       ও      তাঁর রাসূলের প্রতি ঈমান এনেছে।“ (নূর-৬২)।

(২৬)   وَلَمَّا   رَاَ  الۡمُؤۡمِنُوۡنَ  الۡاَحۡزَابَۙ  قَالُوۡا     هٰذَا  مَا   وَعَدَنَا    اللّٰهُ وَرَسُوۡلُهٗ
(খন্দকের      যুদ্ধে       শত্রুসৈন্য       দেখে       সাহাবীগণ      বলে উঠলেন)        -         “এরই         তো        আমাদেরকে        প্রতিশ্রুতি  দিয়েছিলেন আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল।” (আহযাব-২২)

(২৭) وَصَدَقَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ وَمَا زَادَهُمْ إِلَّا إِيمَانًا وَتَسْلِيمًا
(সাহাবীগণ   আরো  বললেন)  - “আল্লাহ ও  তাঁর  রাসূল  সত্য  বলেছেন।  এতে   তাদের  ঈমান  ও আত্মসমর্পনের মনোভাব আরো বৃদ্ধি পেলো।” (আহযাব-২২)

(২৮)   وَإِن  كُنتُنَّ  تُرِدْنَ  اللَّهَ  وَرَسُولَهُ  وَالدَّارَ   الْآخِرَةَ  فَإِنَّ  اللَّهَ أَعَدَّ لِلْمُحْسِنَاتِ مِنكُنَّ أَجْرًا عَظِيمًا
“হে   নবীপত্নীগণ, তোমরা  যদি ভোগবিলাস   ত্যাগ করে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল এবং আখেরাতকে প্রাধান্য দাও, তাহলে   তোমাদের   পূতঃ   পবিত্রজনদের   জন্য   আল্লাহ্  তায়ালা        বিরাট      পুরস্কার      তৈরী       করে        রেখেছেন।” (আহযাব-২৯)

(২৯)   وَمَن   يَقْنُتْ    مِنكُنَّ    لِلَّهِ   وَرَسُولِهِ   وَتَعْمَلْ   صَالِحًا   نُّؤْتِهَا  أَجْرَهَا مَرَّتَيْنِ وَأَعْتَدْنَا لَهَا رِزْقًا كَرِيمًا
“হে  নবীপত্নীগণ,  তোমাদের মধ্যে যিনি   আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত হবে   এবং  নেক আমল করবে, আমি তাঁকে ডাবল পুরস্কার দেবো।” (আহযাব-৩১)

(৩০) وَمَا كَانَ لِمُؤۡمِنٍ  وَّلَا مُؤۡمِنَةٍ اِذَا  قَضَى  اللّٰهُ وَرَسُوۡلُهٗۤ اَمۡرًا اَنۡ يَّكُوۡنَ لَهُمُ الۡخِيَرَةُ مِنۡ اَمۡرِهِمۡؕ
“কোন বিষয়ে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল নির্দেশ দেয়ার পর ঐ বিষয়ে কোন ঈমানদার পুরুষ এবং কোন ঈমানদার নারীর         ভিন্নমত        পোষণ       করার        অধিকার        নেই।” (আহযাব-৩৬)
(যায়েদ    ইবনে   হারেছার    (رضي   الله   عنه)   সাথে     বিবি যয়নব (رضي  الله عنه)-এর  বিবাহের ব্যাপারে তাঁর ভাই আবদুল্লাহর আপত্তি সম্পর্কে এই উক্তি)।

(৩১) وَمَنۡ يَّعۡصِ اللّٰهَ وَرَسُوۡلَهٗ فَقَدۡ ضَلَّ ضَلٰلاً مُّبِيۡنًاؕ‏
“আর যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের অবাধ্য হবে- তারা স্পষ্ট        গোমরাহীর         মধ্যে         পতিত         হয়ে         গিয়েছে।” (আহযাব-৩৬)
(৩২)  اِنَّ   الَّذِيۡنَ   يُؤۡذُوۡنَ  اللّٰهَ   وَرَسُوۡلَهٗ   لَعَنَهُمُ    اللّٰهُ  فِىۡ  الدُّنۡيَا وَالۡاٰخِرَةِ
“যারা  আল্লাহ্ ও তাঁর প্রিয় রাসূলকে কষ্ট দেয়, আল্লাহ  তাদেরকে    দুনিয়া    ও       পরকালে    লা’নত     করবেন     বা  অভিশপ্ত করবেন।” (আহযাব-৫৭)

(৩৩)    إِنَّا    أَرْسَلْنَاكَ    شَاهِدًا   وَمُبَشِّرًا    وَنَذِيرًا   -   لِتُؤْمِنُوا    بِاللَّهِ وَرَسُولِهِ وَتُعَزِّرُوهُ وَتُوَقِّرُوهُ وَتُسَبِّحُوهُ بُكْرَةً وَأَصِيلًا
“হে     প্রিয়      রাসূল,      আমি      আপনাকে       চাক্ষুস     স্বাক্ষী (হাযির-নাযির),               জান্নাতের               সুসংবাদদাতা               ও  জাহান্নামের       ভীতি       প্রদর্শনের      ক্ষমতা     দিয়ে     প্রেরণ করেছি     –যাতে      তোমরা     (মানুষ)       আল্লাহ্       ও     তাঁর  রাসূলের   প্রতি   ঈমান   আন,    রাসূলকে    সাহায্য   করো, তাঁকে   উচ্চমানের   সম্মান   প্রদর্শন   করো   এবং   সকাল  সন্ধ্যায়                 আল্লাহর                   সালাত                  পাঠ                  করো।” (আল-ফাত্হঃ৮-৯)

(৩৪) يٰۤاَيُّهَا الَّذِيۡنَ اٰمَنُوۡا لَا تُقَدِّمُوۡا بَيۡنَ يَدَىِ اللّٰهِ وَرَسُوۡلِهٖ‌
“হে ঈমানদারগণ, তোমরা   আল্লাহ্ ও  রাসূলের সামনে  আগ বাড়িয়ে কিছু করোনা।” (হুজুরাত-১)

(৩৫)  اٰمِنُوۡا  بِاللّٰهِ   وَرَسُوۡلِهٖ  وَاَنۡفِقُوۡا  مِمَّا   جَعَلَكُمۡ     مُّسۡتَخۡلَفِيۡنَ  فِيۡهِ‌ؕ
“তোমরা  ঈমান  আনো আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের উপর- আর       ব্যয়      কর       ঐ      সম্পদ      থেকে-        আল্লাহ      যার    উত্তরাধিকারী করেছেন তোমাদেরকে।” (ছুরাহাদীদ-৭)

(৩৬)  وَمَا  لَكُمۡ   لَا   تُؤۡمِنُوۡنَ  بِاللّٰهِ‌ۚ   وَالرَّسُوۡلُ  يَدۡعُوۡكُمۡ    لِتُؤۡمِنُوۡا بِرَبِّكُمۡ
“তোমাদের     কি     হলো     যে,     তোমরা     আল্লাহর     ওপর  বিশ্বাস        স্থাপন         করছোনা?         -অথচ        রাসূল          [ﷺ] তোমাদেরকে       আহবান     জানাচ্ছেন     –যাতে     তোমরা  তোমাদের রবের প্রতি ঈমান আন।” (হাদীদ-৮)

(৩৭)    وَالَّذِينَ     آمَنُوا       بِاللَّهِ     وَرُسُلِهِ    أُوْلَئِكَ    هُمُ    الصِّدِّيقُونَ وَالشُّهَدَاء عِندَ رَبِّهِمْ
“যারা    আল্লাহ    ও      তাঁর     প্রিয়    রাসূলের     উপর    ঈমান এনেছে,  তারাই   তো আল্লাহর নিকট সিদ্দিক   ও  শহীদ বলে গণ্য।” (হাদীদ-১৯)

(৩৮) اِنَّ الَّذِيۡنَ يُحَآدُّوۡنَ اللّٰهَ وَرَسُوۡلَهٗ كُبِتُوۡا
“যারা     আল্লাহ    ও    তাঁর    প্রিয়    রাসূলের     বিরুদ্ধাচারণ  করে- তারা অপদস্ত হয়েছে।” (মুজদালাহ-৫)

(৩৯)  لَا  تَجِدُ  قَوْمًا  يُؤْمِنُونَ  بِاللَّهِ  وَالْيَوْمِ  الْآخِرِ  يُوَادُّونَ  مَنْ  حَادَّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ
“হে   প্রিয়   রাসূল,    যারা    আল্লাহ     ও   পরকালে   বিশ্বাসী –এমন  কাউকে আপনি আল্লাহ  ও তাঁর  প্রিয় রাসূলের বিরুদ্ধাচরণকারীর সাথে বন্ধুত্বস্থাপনকারীরূপে পাবেন না।”      (মুজাদালাহ-২২,      তাঁদের      উপাধী      রাদিয়াল্লাহু  আনহু)

(৪০)    وَلِلّٰهِ    الۡعِزَّةُ    وَلِرَسُوۡلِهٖ    وَلِلۡمُؤۡمِنِيۡنَ    وَلٰكِنَّ    الۡمُنٰفِقِيۡنَ    لَا  يَعۡلَمُوۡنَ
“শক্তি       ও      সম্মান      তো     আল্লাহ      ও      রাসূলের      এবং মু’মিনদের   প্রাপ্য-   কিন্তু   মুনাফিকরা    তার   ভেদ  জানে না।” (ছুরামুনাফিকুন-৮)

নোটঃ  ‘আল্লাহ  ও    রাসূলের নাম  একসাথে পাশাপাশি’ এর  প্রমাণস্বরূপ   কোরআন  মজিদ    থেকে  মাত্র    ৪০টি আয়াত        উল্লেখ        করা       হলো।        কোরআনের        সর্বত্র আল্লাহ-রাসূলের নাম  একসাথে  এসেছে। খোদ ঈমানী কালেমায়  “আল্লাহ  ও  মুহাম্মদ”  এক  সাথে  পাশাপাশি  রয়েছে।   এর   মধ্যখানে   “এবং”   অব্যয়টি   নেই।   এতেই  বুঝা যায় আল্লাহ-রাসূল কত ঘনিষ্ট।

কি সাধ্য আছে মোর-গাইতে নবীর গান
কলম মোর ধন্য হলো-লিখে নবীর শান।

তারিখঃ নভেম্বর, ২০০৭ ইং
-অধম লেখক


++++++++++
 উস্তাজুল উলামা আল্লামা আবদুল জলীল রহমাতুল্লাহি তা'আলা আলাইহি এর "  নূরনবী ﷺ" থেকে প্রকাশিত হচ্ছে।

Post a Comment

নবীনতর পূর্বতন